ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬ , ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে আলাদা তদন্তে যাচ্ছে না বাংলাদেশ ব্যাংক

আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৭:৪৬:২৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৭:৪৬:২৯ অপরাহ্ন
সাবেক রাষ্ট্রপতিকে  নিয়ে আলাদা তদন্তে যাচ্ছে না বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইল ছবি
আহছান হাবিব, নিজস্ব প্রতিনিধি সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা করে কোনো আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে দেশের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন জানিয়ে আরিফ হোসেন খান বলেন, তাই তাকে লক্ষ্য করে ব্যক্তিগতভাবে আলাদা কোনো অনুসন্ধান বা তদন্ত পরিচালনার পরিকল্পনা নেই বাংলাদশে ব্যাংকের। তবে দেশের আর্থিক খাতের সংস্কারে ব্যাংকভিত্তিক যে তদন্তগুলো চলছে, সেখানে কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দেশের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তদন্ত চলছে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এসব তদন্তে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরিফ হোসেন খান আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা। অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। এক্ষেত্রে তদন্তে যারই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তার ক্ষেত্রেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, ইসলামী ব্যাংকের ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। ইসলামী ব্যাংকের করা এক রিটের পর হাইকোর্টের বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি ওয়ালিউল ইসলাম ২০২৫ সালের ১১ মার্চ তিনটি নির্দেশনা ও রুল জারি করেন।
নির্দেশনাগুলো হলো ৫ আগস্টের পর ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পূর্বের বোর্ড পরিচালকরা ঋণ জালিয়াতিতে জড়িত থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না। তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ এবং কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সের কোনো শেয়ার হস্তান্তর করতে পারবে না। পাশাপাশি বিএফআইইউ-কে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিল করে বিএফআইইউ। কিন্তু দীর্ঘদিন এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।
এ মামলায় ইসালামী ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল কাউয়ুম, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম খালেদ আহমেদ। ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Bangla Release 24

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ